বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) আমাদের জীবনের অনেক ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনেছে। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও যোগাযোগের পাশাপাশি এখন রাজনীতি ও নির্বাচনেও AI-এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যেখানে নাগরিকরা তাদের ভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহার এবং AI প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে ভুয়া তথ্য, মিথ্যা ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যা ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে, জাতীয় নির্বাচনে AI-এর প্রভাব বোঝা, এর সুফল ও ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ সচেতন ও তথ্যভিত্তিক ভোটারই একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মূল ভিত্তি।
AI এখন এমন ভিডিও, ছবি ও অডিও বানাতে পারে যা একদম আসল মনে হয়, কিন্তু আসলে ভুয়া।
এগুলো ব্যবহার করে কেউ চাইলে:
1. ভুয়া ভিডিও ও অডিও
নেতাদের মুখ দিয়ে এমন কথা বলানো হয়, যা তারা আসলে বলেননি
এগুলো দেখে মানুষ সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে
2. ভুল তথ্য দ্রুত ছড়ায়
ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপে খুব দ্রুত ছড়ায়
গ্রামাঞ্চলে যাচাই করার সুযোগ কম থাকে
3. মানুষ বিশ্বাস হারায়
কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা — বোঝা কঠিন হয়ে যায়
নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ওপর আস্থা কমে
- শেয়ার দেওয়ার আগে থামুন
খুব উত্তেজক বা ভয় দেখানো কিছু হলে সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার দেবেন না
- খবর যাচাই করুন
একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমে দেখুন শুধু ফেসবুক পোস্ট হলে সন্দেহ করুন
- AI ভুয়া হওয়ার লক্ষণ
1. AI খারাপ না, কিন্তু ভুল কাজে ব্যবহার হলে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
2. সচেতন মানুষই সবচেয়ে বড় শক্তি।